মাগুরায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে কিশোর কিশোরী ক্লাব

মাগুরা সদর

মাগুরা সংবাদঃ

শহিদুজ্জামান চাঁদ,শালিখা,মাগুরাঃ

মাগুরা জেলার ৪টি উপজেলায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ‘কিশোর কিশোরী ক্লাব প্রকল্প স্থাপন৷ বিশেষ করে এ জেলার মাগুরা সদর,শালিখা,মহম্মদপুর,শ্রীপুর এ সকল উপজেলার সকল শ্রেণি পেশার মানুষের কাছে এটি ব্যাপক পরিচিত হয়ে উঠেছে। এছাড়াও কিশোর কিশোরী ক্লাব জেন্ডার বৈষম্য প্রতিরোধ, বাল্যবিবাহ ইভটিজিং,নারী নির্যাতন,শিশু নির্যাতন ও বখাটেদের দমনে এ ক্লাবের সদস্যরা এক সাথে কাজ করে চলেছেন৷ সরকার কিশোর কিশোরীদের জেন্ডার ভিত্তিক বৈষম্য প্রতিরোধ এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে কিশোর কিশোরীদের বৈষম্য দূর করতে এ প্রকল্প হাতে নিয়েছেন৷ এটি মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একটি প্রকল্প ৷ শালিখা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা অনিতা মল্লিক ও শালিখা মহম্মদপুর উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত সুপার ভাইজার আব্দুর রহমান বকুল বলেন মাগুরা জেলার ৪টি উপজেলার মধ্যে বিশেষ করে শালিখা উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে কর্মরত কিশোর কিশোরী ক্লাবের জেন্ডারপ্রমোটার,সংগীত শিক্ষক ও আবৃত্তি শিক্ষকরা খুবই দক্ষতার সাথে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে৷ তাদের কাজের প্রতি কোন প্রকার অনিহা নেই৷ এই প্রকল্পের উদ্যেশ্য কি জানতে চাইলে তাঁরা বলেন সমাজের বিভিন্ন স্তরের প্রান্তিক কিশোর-কিশোরীদের বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ ও জেন্ডার বেইজড ভায়োলেন্স প্রতিরোধ করা৷ কিশোর কিশোরীদের সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের অবস্থানকে দৃঢ় করা। সেই সাথে ক্লাবের মাধ্যমে বিভিন্ন সৃজনশীল ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের মাধ্যমে কিশোর-কিশোরীদের সম্পর্ককে সুদৃঢ় করা৷ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনায়ন করা। কিশোর-কিশোরী ক্লাব স্থাপন প্রকল্পের লক্ষ্য হলো সমাজ থেকে বাল্যবিবাহ,ইভটিজিং,শিশু নির্যাতন ও বখাটেদের দমন এবং জেন্ডার ভিত্তিক বৈষম্য দূর করা৷ এছাড়াও কিশোর কিশোরীদের বয়ঃসন্ধিকাল বিষয়ে সচেতন করা ৷ ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীদের মনো-সামাজিক আচরণ, একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল করতে দক্ষতা করা ৷জিবিভি প্রতিরোধে বিভিন্ন ধরণের সচেতনতামূলক ব্যবস্থা সম্পর্কে অবহিত করা। ক্লাবের মাধ্যমে কিশোর-কিশোরীদের বিভিন্ন সৃজনশীল, গঠনমূলক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে জীবন দক্ষতা বৃদ্ধি করা। এছাড়াও ক্যারাটে প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে ব্যক্তিগত নিরাপত্তাসহ নারী নির্যাতনরোধ করা৷ কিশোর-কিশোরীদের সক্ষম করে গড়ে তোলা। এই প্রকল্পের আওতায় স্থাপিত ৪,৮৮৩ টি ক্লাবের মাধ্যমে ৪,৩৯,৪৭০ জন কিশোর-কিশোরীদের সুবিধা দেওয়া এবং এ প্রকল্পের আওতায় ২,৯৪৬ জন নারী উদ্যোক্তা তৈরী করা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *